প্রকাশিত:
১৯ জানুয়ারী, ২০২৬

নতুন এই পাইলট কর্মসূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলার অফিসারের নির্ধারণ করা ৫,০০০, ১০,০০০, অথবা ১৫,০০০ মার্কিন ডলার পরিমাণ বন্ড জমা দিতে হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ২০২৬ সালের ২১শে জানুয়ারির আগে ইস্যুকৃত বৈধ B1/B2 ভিসা থাকলে সেই ভিসাধারীদের এই নতুন শর্তের আওতায় আসতে হবে না। নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।
ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার অফিসার ভিসা প্রাপ্তির শর্ত হিসেবে বন্ড দিতে বললে, শুধুমাত্র তখনই আবেদনকারীকে মার্কিন কোষাগার দপ্তরের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম Pay.gov এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। দপ্তরটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে:
সাক্ষাৎকারের আগে কখনোই বন্ডের টাকা পরিশোধ করবেন না। আগাম পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়।
তৃতীয় পক্ষের কোনো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ থেকে বিরত থাকুন, এগুলো প্রতারণামূলক হতে পারে।
বন্ড জমা দেওয়া ভিসা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না। এটি শুধুমাত্র একটি বাধ্যতামূলক শর্ত।
ভিসার শর্তাবলি (যেমন: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে আসা) সঠিকভাবে মেনে চললে বন্ডের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়া হবে।
বন্ড ফেরত ও লঙ্ঘনের শর্ত
বন্ডের অর্থ ফেরত পাবেন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
অন্যদিকে, ভিসা বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন হয়েছে বলে গণ্য হবে যদি:
এই বন্ডের আওতায় ভিসাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল শুধুমাত্র মার্কিন দপ্তর কর্তৃক মনোনীত কিছু বিমানবন্দর দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হবে। বর্তমানে মনোনীত বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে রয়েছে বস্টন লোগান, নিউইয়র্কের জেএফকে, ওয়াশিংটন ডুলেস, নিউয়ার্ক, আটলান্টা, শিকাগো ও'হেয়ার এবং লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। নির্ধারিত পথে ভ্রমণ না করলে প্রবেশে অস্বীকৃতি বা প্রস্থান সঠিকভাবে নথিভুক্ত না হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, B1/B2 ভিসা ওভারস্টে'র (অনুমোদিত সময় পার করে অবস্থান) হার বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নীতি শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং একই তালিকায় থাকা অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য। এই পাইলট কর্মসূচিটি চলাকালে আরও বিমানবন্দরকে মনোনীত প্রবেশপথের তালিকায় যুক্ত করা হবে।